শিরোনাম :
বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুপুরের মধ্যে তিন অঞ্চলে ৮০ কিমি ঝড়ের শঙ্কা বগুড়ার পথে প্রধানমন্ত্রী এনসিপিতে ছাত্রলীগ-শিবির-ছাত্রদল যে কেউ যোগদান করতে পারে: নাহিদ ইসলাম নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ, অনুষ্ঠানে কর্নেল অলি-রাশেদ প্রধান নির্বাচন প্রক্রিয়াকে একতরফা করার চেষ্টা চলছে: অ্যাড. শিশির মনির সোনারগাঁয়ে লুট হওয়া সাউন্ড গ্রেনেডসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধার শ্রীমঙ্গলে মৎস্যজীবীর জালে আটকা পড়লো বিশাল আকৃতির অজগর মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক অদিত্য পোদ্দার সরকারি অফিস সময় ফাঁকি দিয়ে রোগী দেখেন প্রাইভেট ক্লিনিকে। মিরসরাইয়ে সাড়ে তিন হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

যা দেখতে পাবেন, চবির ফরেস্ট্রি: ঘুরতে এলে

যা দেখতে পাবেন, চবির ফরেস্ট্রি: ঘুরতে এলে

চবি প্রতিনিধি :
শাটল কিংবা বাসে চেপে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলেই স্মরণ চত্বর। এই চত্বর থেকে বাম দিকের রাস্তাটাই ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়ানমেন্টাল সায়েন্স।
যাতায়াতের জন্য রিকশা পাওয়া যায়। স্মরণ চত্বর থেকে একটু সামনে আসলে বউ বাজার এরপর সাউথ ক্যাম্পাস আসতেই মসজিদের সামনে দুদিকে দুটি রাস্তার মোড় চোখে পড়বে সেখানেও বামদিকের রাস্তাটাই ফরেস্ট্রির।

একটু সামনে এগোলেই দেখা মিলবে রাস্তার দুপাশে সবুজ প্রকৃতি মিস্রির পাতা আর ডালপালায় আচ্ছাদিত বনভূমির ন্যায় পিচঢালা পথ। একা একা হাঁটতে হালকা ভয় ভয় অনুভূতি হলেও ভয়ের কিছুই নেই। ডানদিকে তাকালে মনে হবে গহীন অরণ্যের মধ্যেখান দিয়ে পথ আবার বামদিকে তাকালে চোখে পড়বে গাছ বাগান। পেরোলেই বিশাল শস্যভূমি যেখানে কৃষকরা নানান ফসল উৎপাদন করেন। আরেকটু সামনে আসলেই রাস্তার মাঝখানে সাইনবোর্ডের দুপাশে আবারো দুটি রাস্তার দেখা মিলবে। ডানপাশের রোড ধরে এগুলেই ফরেস্টি ইন্সটিটিউটের প্রশাসনিক ভবন পর্যন্ত পৌঁছা যাবে। তবে বাপপাশের রোডটা ‘কাপল রোড’ হিসেবেই বেশি পরিচিত!

কথিত আছে, এই কাপল রোডের দুপাশে বসে সবাই গল্পে মজে যান। কখনো কখনো এই রোডটায় অনেকের সমাগম ঘটে। ফরেস্ট্রিতে ঘুরতে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে এই কাপল রোডকেই আখ্যায়িত করা হয়। বন আর লেকের মধ্যেখান দিয়ে এই কাপল রোড।

একুশ শত একরের ক্যাম্পাসে ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়ানমেন্টাল সায়েন্স প্রায় ৫৫০ একর জুড়ে।

যেখানে বন বনানীসহ রয়েছে ফরেস্ট্রি ইনস্টিটিউটের একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, ছেলে এবং মেয়েদের জন্য থাকার পৃথক দুটি আবাসিক হল, খাবারের ক্যান্টিন, মসজিদ, খেলার মাঠ, গেস্ট হাউস, উন্নত মানের নার্সারি, স’মিল, কাপল রোড, ক্রিস্টমাস বৃক্ষ, মাস্টার দা সূর্যসেনের ভাষ্কর্য, স্বচ্ছ পানির লেক, ছবি তোলার জন্য রয়েছে গ্রাফিত্তি, আলপনা অঙ্কিত রাস্তা ও সিঁড়ি, কাঠের পুল ছাড়াও রয়েছে ঘুরে-বেড়ানোর বাঁশ বাগান।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়ানমেন্টাল সায়েন্স ইন্সটিটিউটি বাংলাদেশের প্রথম।

ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়ানমেন্টাল সায়েন্সের শিক্ষার্থী মো. মেজবাহ উদ্দিন খান জানালেন, আমরা জানি বর্তমানে বাংলাদেশে যে পরিমাণে বনভূমি থাকার কথা সেটা নেই। আর বনভূমি কমে যাওয়ার কারণে আমাদের দেশে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্যা বা নানান সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন পরিবর্তনও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাই প্রতিটা দেশের নিম্নতম বনভাগ নিশ্চিত করার জন্য ফরেস্ট্রি সাবজেক্টটা প্রয়োজন।

ইন্সটিটিউটে রয়েছে একটি উন্নতমানের গবেষণা কেন্দ্র। যেখানে বিভিন্ন গাছের উৎপাদন ক্ষমতা, কোন মাটিতে গাছ ভালোভাবে বৃদ্ধি পাবে, কোন খনিজ পদার্থ কোন গাছের জন্য কি পরিমাণে প্রয়োজন, কতো তাপমাত্রা কোন গাছের জন্য অনুকূল ইত্যাদি গবেষণা করা হয় বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী নাজনীন সুরভী বলেন, ক্যাম্পাসের সুন্দর জায়গাগুলোর মধ্যে ফরেস্ট্রি অন্যতম। এবং ঘুরে বেড়ানোর জন্য সুন্দর একটি পরিবেশ। লেকের পার ঘেঁষে চতুর্দিকে আবৃত রাস্তা ধরে হাঁটতে অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে। এছাড়াও, ফরেস্ট্রির সঙ্গে পরিবেশের একটা সম্পর্ক রয়েছে। কেন না, গাছপালা ঠিক থাকলে পর্যাপ্ত অক্সিজেন উৎপন্ন হবে, পরিবেশ শীতল থাকবে, দেশের খাদ্যের চাহিদা পূরণ হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com